১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পৃথিবীতে প্রাণের উপাদানের উৎসের সন্ধানে নতুন তথ্য

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ৫৪৪ Time View

যুক্তরাষ্ট্রের রাইস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রাজদীপ দাশগুপ্তের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সাড়ে ৪০০ কোটি বছর আগে আমাদের আদি সূর্যের চারপাশে গ্যাস ও ধূলিকণার একটি ঘূর্ণায়মান মেঘ হিসেবে সৌরজগতের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এই ধূলিকণার মেঘের ভেতরেই ধীরে ধীরে গ্রহ, উপগ্রহ ও জীবনের মূল উপাদানগুলো আকৃতি নিতে থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই গ্যাস ও ধূলিকণাগুলো জমাট বেঁধে প্ল্যানেটেসিমাল নামের ছোট ছোট মহাজাগতিক বস্তুতে পরিণত হয়, যা পরবর্তীকালে ক্রমাগত সংঘর্ষের মাধ্যমে গ্রহে পরিণত নেয়। আর এর কিছু অংশ মহাকাশে গ্রহাণু হিসেবে টিকে থাকে। পৃথিবীতে পাওয়া দুটি ভিন্ন প্রজন্মের উল্কাপিণ্ড পরীক্ষা করে দেখা গেছে, আয়রন মেটিওরাইট বা লোহার উল্কাপিন্ড মূলত লোহা ও নিকেলের মিশ্রণে তৈরি অত্যন্ত ঘন ধাতব বস্তু, যা সৌরজগতের সবচেয়ে পুরোনো বা প্রথম প্রজন্মের প্ল্যানেটেসিমাল থেকে এসেছে। আর পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া পাথুরে উল্কাপিণ্ড বা কনড্রাইটগুলো এসেছে প্রথম প্রজন্মের ২০ থেকে ৩০ লাখ বছর পর তৈরি হওয়া দ্বিতীয় প্রজন্মের প্ল্যানেটেসিমাল থেকে।

ট্যাগঃ

পৃথিবীতে প্রাণের উপাদানের উৎসের সন্ধানে নতুন তথ্য

সময়ঃ ১২:০৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের রাইস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রাজদীপ দাশগুপ্তের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় সাড়ে ৪০০ কোটি বছর আগে আমাদের আদি সূর্যের চারপাশে গ্যাস ও ধূলিকণার একটি ঘূর্ণায়মান মেঘ হিসেবে সৌরজগতের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এই ধূলিকণার মেঘের ভেতরেই ধীরে ধীরে গ্রহ, উপগ্রহ ও জীবনের মূল উপাদানগুলো আকৃতি নিতে থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই গ্যাস ও ধূলিকণাগুলো জমাট বেঁধে প্ল্যানেটেসিমাল নামের ছোট ছোট মহাজাগতিক বস্তুতে পরিণত হয়, যা পরবর্তীকালে ক্রমাগত সংঘর্ষের মাধ্যমে গ্রহে পরিণত নেয়। আর এর কিছু অংশ মহাকাশে গ্রহাণু হিসেবে টিকে থাকে। পৃথিবীতে পাওয়া দুটি ভিন্ন প্রজন্মের উল্কাপিণ্ড পরীক্ষা করে দেখা গেছে, আয়রন মেটিওরাইট বা লোহার উল্কাপিন্ড মূলত লোহা ও নিকেলের মিশ্রণে তৈরি অত্যন্ত ঘন ধাতব বস্তু, যা সৌরজগতের সবচেয়ে পুরোনো বা প্রথম প্রজন্মের প্ল্যানেটেসিমাল থেকে এসেছে। আর পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া পাথুরে উল্কাপিণ্ড বা কনড্রাইটগুলো এসেছে প্রথম প্রজন্মের ২০ থেকে ৩০ লাখ বছর পর তৈরি হওয়া দ্বিতীয় প্রজন্মের প্ল্যানেটেসিমাল থেকে।