০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেকার বসে থাকার চেয়ে টিকটকে আয় করা বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত: অর্ষা

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৮ Time View

দেশে চাকরির বাজার যখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন শিক্ষিত তরুণদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মমুখী হওয়াকে স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা। সম্প্রতি এক শুটিং সেটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বেকার হয়ে বসে থাকার চেয়ে অনলাইনে আয় করাই বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত।” 

অর্ষার ভাষ্য, “মাস্টার্স শেষ করেও যখন চাকরি পাওয়া নিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়, তখন তরুণদের টিকটকসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে ডলার আয় করার পথ বেছে নেওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। এটি সময়ের বাস্তবতা।” 

খানিকটা ব্যাখ্যা করে অর্ষা বলেন, “আমি যদি শুধু অন্যকে নকল করেও আয় করতে পারি, তাহলে সেটাকে খারাপ চোখে দেখার কারণ দেখি না। বরং যারা নিজের সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করছে, তারাই প্রকৃত অর্থে উদ্যোগী।” 

বর্তমান সামাজিক বাস্তবতা তুলে ধরে অর্ষা বলেন, “উচ্চশিক্ষা শেষে অনেক তরুণকে জীবিকার তাগিদে চা বা ফুসকা বিক্রি করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। দীর্ঘ সময় ও অর্থ ব্যয় করে পড়াশোনা করার পরও চাকরি না পাওয়া ব্যক্তি ও তার পরিবারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।” 

অনলাইনে আয় করে কম বয়সি অনেকে আর্থিকভাবে নিরাপদ করে তুলছে। এ তথ্য স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “তুলনামূলকভাবে কম বয়সে যারা অনলাইনে আয় করতে পারছে, তারা নিজেদের জীবন আর্থিকভাবে নিরাপদ করে তুলছে। নিজের আয়ে তারা ভ্রমণ করছে, জীবন গুছিয়ে নিচ্ছে। বিপরীতে, শিক্ষিত কিন্তু বেকার তরুণদের সংখ্যা বাড়তে থাকলে তা ভবিষ্যতে সমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।” 

দেশে চাকরির সংকটই তরুণদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ঝুঁকতে বাধ্য করছে। সেখানে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করছে, সৃজনশীলতা কাজে লাগাচ্ছে এবং নতুন ধরনের অর্থনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করছে বলেও মত অর্ষার।

ট্যাগঃ

বেকার বসে থাকার চেয়ে টিকটকে আয় করা বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত: অর্ষা

সময়ঃ ১২:০৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে চাকরির বাজার যখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন শিক্ষিত তরুণদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মমুখী হওয়াকে স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা। সম্প্রতি এক শুটিং সেটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বেকার হয়ে বসে থাকার চেয়ে অনলাইনে আয় করাই বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত।” 

অর্ষার ভাষ্য, “মাস্টার্স শেষ করেও যখন চাকরি পাওয়া নিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়, তখন তরুণদের টিকটকসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে ডলার আয় করার পথ বেছে নেওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। এটি সময়ের বাস্তবতা।” 

খানিকটা ব্যাখ্যা করে অর্ষা বলেন, “আমি যদি শুধু অন্যকে নকল করেও আয় করতে পারি, তাহলে সেটাকে খারাপ চোখে দেখার কারণ দেখি না। বরং যারা নিজের সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করছে, তারাই প্রকৃত অর্থে উদ্যোগী।” 

বর্তমান সামাজিক বাস্তবতা তুলে ধরে অর্ষা বলেন, “উচ্চশিক্ষা শেষে অনেক তরুণকে জীবিকার তাগিদে চা বা ফুসকা বিক্রি করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। দীর্ঘ সময় ও অর্থ ব্যয় করে পড়াশোনা করার পরও চাকরি না পাওয়া ব্যক্তি ও তার পরিবারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।” 

অনলাইনে আয় করে কম বয়সি অনেকে আর্থিকভাবে নিরাপদ করে তুলছে। এ তথ্য স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “তুলনামূলকভাবে কম বয়সে যারা অনলাইনে আয় করতে পারছে, তারা নিজেদের জীবন আর্থিকভাবে নিরাপদ করে তুলছে। নিজের আয়ে তারা ভ্রমণ করছে, জীবন গুছিয়ে নিচ্ছে। বিপরীতে, শিক্ষিত কিন্তু বেকার তরুণদের সংখ্যা বাড়তে থাকলে তা ভবিষ্যতে সমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।” 

দেশে চাকরির সংকটই তরুণদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ঝুঁকতে বাধ্য করছে। সেখানে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করছে, সৃজনশীলতা কাজে লাগাচ্ছে এবং নতুন ধরনের অর্থনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করছে বলেও মত অর্ষার।