তখন চিৎকার করছিলেন জানিয়ে রেজাউল করিম বলেন, ‘দেখছিলাম, গাড়ির চালক বারবার ব্রেকে চাপ দিচ্ছেন। কিন্তু চেষ্টা করেও থামাতে পারছেন না। বাসটি সরাসরি পন্টুনের রেলিংয়ে আঘাত করে চোখের পলকে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে এক পাশ কাত হয়ে নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়। চোখের সামনে স্ত্রী–মেয়ে পানিতে ডুবে গেল; কাউকে রক্ষা করতে পারলাম না। পরে রাতে বাসটি তোলার পর স্ত্রী ও মেয়ের লাশ শনাক্ত করি।’
ফেরিঘাটে যথাযথ ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়ে রেজাউল করিম বলেন, ‘ফেরির ভেতর অনেক উঁচু করে চারদিকে রেলিং থাকে, অথচ পন্টুনের চারদিকে কোনো রেলিং নেই। সামান্য একটু উঁচু করে রাখা এতে কোনো গাড়ি আটকে? এ ছাড়া ঘাটের সড়ক অনেক খাড়া হয়ে আছে। এ কারণে গাড়িগুলো দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। কত টাকা কত দিকে খরচ হয়, দয়া করে ঘাটে নজর দেন।’
Voice24 Admin 







