০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নৌপথে পণ্য পরিবহনেও জ্বালানিসংকটের ধাক্কা

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪৪ Time View

মুন্সিগঞ্জের মেঘনা ঘাটের পাশে ও মেঘনা নদীতে মঙ্গলবার দেখা যায়, জ্বালানির সংকটে দাঁড়িয়ে আছে ৫০টির বেশি কোস্টার, লাইটার জাহাজ ও বাল্কহেড। এই লাইটার জাহাজগুলো নৌপথে দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য পরিবহনের কাজে যুক্ত। পরিবহন করে ইট ও ক্লিংকার, সিমেন্ট, ফ্লাই অ্যাশসহ বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল। এ ছাড়া দেশীয় এবং বিদেশ থেকে আনা ধান, চাল, গম, ভুট্টা, সারসহ বিভিন্ন পণ্য সরবরাহের কাজেও যুক্ত এসব পরিবহন।

মেঘনা ঘাটের পাশেই মঙ্গলবার দুপুরে কথা হয় এমভি টিকলি কার্গো জাহাজের মাস্টার আজমল শেখের সঙ্গে। তিনি গত ৩১ মার্চ মেঘনা ঘাটের পাশে তাঁর লাইটার জাহাজটি নোঙর করেন। এসেছেন ভারতের কলকাতা বন্দর থেকে।

আজমল জানান, এমভি টিকলি নিয়মিত ভারতের বিভিন্ন বন্দর থেকে কাঁচামাল পরিবহনের কাজে যুক্ত। দেশের বিভিন্ন সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে ফ্লাই অ্যাশ খালাস হলে তিনি জ্বালানি নিয়ে আবার ভারতের উদ্দেশে যাবেন। কিন্তু কোথাও তেল পাচ্ছেন না। বাড়তি দাম দিতে চেয়েও তেল পাচ্ছেন না।

আজমল শেখ বলেন, কেউ তেল দিচ্ছে না। যারা তেল সরবরাহ করে, তাদের কাছেও তেল নেই। তিন হাজার লিটার তেল লাগবে। না হয় যেতে পারবেন না। কারণ, এখান থেকে জ্বালানি না নিয়ে গেলে পথে অন্য কোথাও জ্বালানি নেওয়ার সুযোগ নেই। পথে আটকে থাকতে হবে।

ট্যাগঃ

নৌপথে পণ্য পরিবহনেও জ্বালানিসংকটের ধাক্কা

সময়ঃ ১২:০৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

মুন্সিগঞ্জের মেঘনা ঘাটের পাশে ও মেঘনা নদীতে মঙ্গলবার দেখা যায়, জ্বালানির সংকটে দাঁড়িয়ে আছে ৫০টির বেশি কোস্টার, লাইটার জাহাজ ও বাল্কহেড। এই লাইটার জাহাজগুলো নৌপথে দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য পরিবহনের কাজে যুক্ত। পরিবহন করে ইট ও ক্লিংকার, সিমেন্ট, ফ্লাই অ্যাশসহ বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল। এ ছাড়া দেশীয় এবং বিদেশ থেকে আনা ধান, চাল, গম, ভুট্টা, সারসহ বিভিন্ন পণ্য সরবরাহের কাজেও যুক্ত এসব পরিবহন।

মেঘনা ঘাটের পাশেই মঙ্গলবার দুপুরে কথা হয় এমভি টিকলি কার্গো জাহাজের মাস্টার আজমল শেখের সঙ্গে। তিনি গত ৩১ মার্চ মেঘনা ঘাটের পাশে তাঁর লাইটার জাহাজটি নোঙর করেন। এসেছেন ভারতের কলকাতা বন্দর থেকে।

আজমল জানান, এমভি টিকলি নিয়মিত ভারতের বিভিন্ন বন্দর থেকে কাঁচামাল পরিবহনের কাজে যুক্ত। দেশের বিভিন্ন সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে ফ্লাই অ্যাশ খালাস হলে তিনি জ্বালানি নিয়ে আবার ভারতের উদ্দেশে যাবেন। কিন্তু কোথাও তেল পাচ্ছেন না। বাড়তি দাম দিতে চেয়েও তেল পাচ্ছেন না।

আজমল শেখ বলেন, কেউ তেল দিচ্ছে না। যারা তেল সরবরাহ করে, তাদের কাছেও তেল নেই। তিন হাজার লিটার তেল লাগবে। না হয় যেতে পারবেন না। কারণ, এখান থেকে জ্বালানি না নিয়ে গেলে পথে অন্য কোথাও জ্বালানি নেওয়ার সুযোগ নেই। পথে আটকে থাকতে হবে।