০৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করায় শোকজ, জবাবে যা বললেন জামায়াত প্রার্থী

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৩ Time View

ফেনী প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৪৮, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১৭:৫৪, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফখরুদ্দিন মানিক

নামের আগে ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ (দাগনভূঞা ও সোনাগাজী উপজেলা) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জামায়াতের ইসলামীর নেতা ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কর্মকর্তা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ) সাজ্জাতুন নেছা। 

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় ফখরুদ্দিন মানিককে। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দেন তিনি। এ সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও যুক্তি উপস্থাপন করেন ফখরুদ্দিন মানিক।

পরে ফখরুদ্দিন মানিক সাংবাদিকদের বলেন, “ফেনী-৩ আসনে আমাদের গণজোয়ার ও বিজয়ের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় প্রতিপক্ষরা মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, আমি এমবিবিএস বা বিডিএস দাবি করেছি, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করে এক বছর ইন্টার্ন সম্পন্ন করে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত হয়েছি। বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ও চিকিৎসা আইন ২০২৩ অনুযায়ী ডাক্তার পদবি স্বীকৃত।”

তিনি বলেন, “এ বিষয়ে সব ডকুমেন্টস, সার্টিফিকেট ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট জবাবে সন্তুষ্ট হয়েছেন।”

এর আগে ফখরুদ্দিন মানিককে পাঠানো কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়, ফখরুদ্দিন মানিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনি পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে তার নামের পূর্বে ডাক্তার পদবী ব্যবহার করেছেন। কিন্তু, তার নির্বাচনি হলফনামায় চিকিৎসক পদবি উল্লেখ করা হয়নি। যাহা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচরণবিধির লঙ্ঘন। এছাড়াও এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবী ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

তাই, কেন ফখরুদ্দিন মানিকের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে অপরাধ বিচারের জন্যে আমলে নেওয়া হবে না অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানান্তে লিখিত সুপারিশসহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না, এ ব্যাপারে ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা/সাহাব উদ্দিন/রফিক

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করায় শোকজ, জবাবে যা বললেন জামায়াত প্রার্থী

সময়ঃ ১২:০৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেনী প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৪৮, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   আপডেট: ১৭:৫৪, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ফখরুদ্দিন মানিক

নামের আগে ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ (দাগনভূঞা ও সোনাগাজী উপজেলা) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জামায়াতের ইসলামীর নেতা ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কর্মকর্তা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ) সাজ্জাতুন নেছা। 

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় ফখরুদ্দিন মানিককে। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দেন তিনি। এ সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও যুক্তি উপস্থাপন করেন ফখরুদ্দিন মানিক।

পরে ফখরুদ্দিন মানিক সাংবাদিকদের বলেন, “ফেনী-৩ আসনে আমাদের গণজোয়ার ও বিজয়ের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় প্রতিপক্ষরা মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, আমি এমবিবিএস বা বিডিএস দাবি করেছি, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করে এক বছর ইন্টার্ন সম্পন্ন করে চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত হয়েছি। বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ও চিকিৎসা আইন ২০২৩ অনুযায়ী ডাক্তার পদবি স্বীকৃত।”

তিনি বলেন, “এ বিষয়ে সব ডকুমেন্টস, সার্টিফিকেট ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট জবাবে সন্তুষ্ট হয়েছেন।”

এর আগে ফখরুদ্দিন মানিককে পাঠানো কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়, ফখরুদ্দিন মানিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনি পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে তার নামের পূর্বে ডাক্তার পদবী ব্যবহার করেছেন। কিন্তু, তার নির্বাচনি হলফনামায় চিকিৎসক পদবি উল্লেখ করা হয়নি। যাহা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচরণবিধির লঙ্ঘন। এছাড়াও এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবী ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

তাই, কেন ফখরুদ্দিন মানিকের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে অপরাধ বিচারের জন্যে আমলে নেওয়া হবে না অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানান্তে লিখিত সুপারিশসহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না, এ ব্যাপারে ফখরুদ্দিন মানিককে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা/সাহাব উদ্দিন/রফিক