মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর শপথ, মুসলমানদের জন্য রমজানের চেয়ে উত্তম কোনো মাস আসেনি এবং মোনাফেকদের জন্য রমজান মাসের চেয়ে অধিক ক্ষতির মাসও আর আসেনি। কেননা, মুমিনরা এই মাসেই (সারা বছরের জন্য) ইবাদতের শক্তি ও পাথেয় সংগ্রহ করে। আর মোনাফেকরা তাতে মানুষের উদাসীনতা ও দোষত্রুটি অন্বেষণ করে। এ মাস মুমিনের জন্য গনিমত আর মোনাফেকের জন্য ক্ষতির কারণ।’ (মুসনাদে আহমাদ : ৮৩৬৮)
রাসুল (সা.) বলেন, ‘এই মাসের প্রতি রাতে একজন ঘোষণাকারী এই বলে আহ্বান করতে থাকে, হে কল্যাণ অনুসন্ধানী, অগ্রসর হও। হে অসৎ কাজের পথিক, থেমে যাও। তুমি কি জানো, এই মাসের প্রতি রাতে আল্লাহ কতজনকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৬৮৪)
রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইমান ও একনিষ্ঠতার সঙ্গে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে রোজা পালন করবে। আল্লাহ তার পেছনের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২০১৪)
অন্য হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) বলেন, ‘রমজান মাসের প্রতিটি রাত ও দিনের বেলায় বহু মানুষকে আল্লাহ–তাআলা জাহান্নাম থেকে মুক্তির দেন। এ মাসে প্রত্যেক মুসলমানের দোয়া কবুল করা হয়।’ (মুসনাদে আহমাদ : ৭৪৫০)
হাদিসে এসেছে, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না—ইফতার অবধি রোজাদার, ন্যায়পরায়ণ শাসক ও অত্যাচারিতের দোয়া। এমন দোয়া মেঘ ছাড়িয়ে যায় এবং তার জন্য আকাশের দুয়ার খুলে দেওয়া হয়, আর আল্লাহ–তাআলা বলেন, “আমার মর্যাদার শপথ, বিলম্বে হলেও আমি তোমাকে সাহায্য করব।”’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৫৯৮)
রমজানের আরেকটি বরকত হলো, এ মাসে ওমরাহ আদায় করলে হজের সমান সওয়াব হয়। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৭৮২; সহিহ মুসলিম : ১২৫৬)।
Voice24 Admin 




