এমন পরিস্থিতিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র সেনা মোতায়েন করবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বিশ্লেষকেরাও বলছিলেন, ইরানে সরকার পতনের যে লক্ষ্যে ট্রাম্প এগোচ্ছেন, সেটি স্থল অভিযান ছাড়া সম্ভব নয়। আবার এই কাজ ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অতটাও সহজ হবে না। কারণ, এটি ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধ নয়। আর ইরাকের তুলনায় ইরান তিন থেকে চার গুণ বড়।
গত বৃহস্পতিবার ইরানে সেনা মোতায়েন না করার পক্ষেই কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সম্প্রচারমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানো সময়ের অপচয় হবে। তারা (ইরান) সবকিছুই হারিয়েছে। তারা নিজেদের নৌবাহিনী হারিয়েছে—হারানোর যা ছিল, সবই হারিয়েছে।
তবে ইরানে স্থলযুদ্ধের ইরাকের কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ প্রস্তুত করছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ইরাক সীমান্তবর্তী অঞ্চলে হামলাও চালিয়েছে ইরান।
যদি যুক্তরাষ্ট্রের স্থলবাহিনী ইরানে প্রবেশ করে, তাহলে ইরানিরা তাদের জন্য অপেক্ষা করছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
Voice24 Admin 










