আনোয়ারা খাতুনের ভগ্নিপতি মঞ্জু বেপারী বলেন, হাসপাতালেন ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আনোয়ারা খাতুন বেলা ১টার দিকে মারা যান। পরে হাসপাতালের ওয়ার্ড থেকে নিচে লাশ নিয়ে এসে দেখে অ্যাম্বুলেন্স চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বিকেল ৪টা পর্যন্ত মায়ের মরদেহের পাশে বসে ছিলেন ছোট ছেলে মো. আলীম। আর বড় ছেলে আনার আলী মায়ের লাশ কীভাবে বাড়ি নেবেন সে জন্য দিগ্বিদিক ছুটছিলেন। আনার আলী বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায় লাশ নিতে পারছি না। কীভাবে লাশ নেব সে নিয়ে চিন্তা করছি।’
পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান হাসপাতাল এলাকায় এসে চালক–শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। আজ বেলা সোয়া ৪টার দিকে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।’
এদিকে অবরোধে প্রায় ৩ ঘণ্টা পর অ্যাম্বুলেন্স চলাচল স্বাভাভিক হয়। অ্যাম্বুলেন্সচালক মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন আগামীকাল (মঙ্গলবার) দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সময় নিয়েছে। সিটি করপোরেশন ও পুলিশ আলোচনা করে আমাদের জায়গা দিবে। তাই আজ বেলা পৌনে ৫ টা থেকে আমরা স্বাভাভিক কার্যক্রম শুরু করেছি।’
Voice24 Admin 







