০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নবীজির ওপর যেভাবে ওহি নাজিল হত

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪৩ Time View

কোরআন নাজিলের সময়কাল

পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, “রমজান মাস, যাতে কোরআন নাজিল করা হয়েছে।” (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৮৫)

এই ‘নাজিল হওয়া’র ব্যাখ্যা নিয়ে মুফাসসিরদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর মতে, পুরো কোরআন একসঙ্গে কদরের রাতে প্রথম আসমানের ‘বাইতুল ইজ্জাহ’তে অবতীর্ণ হয় এবং সেখান থেকে প্রয়োজনে ক্রমে ক্রমে দুনিয়ায় আসে।

তবে অনেক আধুনিক গবেষক এবং মুফাসসির মনে করেন, এই আয়াতের সবচেয়ে সঠিক ব্যাখ্যা হলো—রমজান মাসে কদরের রাতে প্রথম কোরআন নাজিলের সূচনা হয়েছিল। 

ইবনে ইসহাক ও আবু সুলাইমান আল-দামেশকির মতে, কোরআনের প্রথম অংশ যেহেতু রমজানে এসেছিল, তাই একে রমজানে নাজিল হওয়া বলা হয়েছে। তাফসিরে মানার-এ এই মতটিকেই জোরালোভাবে সমর্থন করা হয়েছে।

চূড়ান্ত মোজেজা

নবীজি (সা.) বলেছিলেন, “প্রত্যেক নবীকে এমন কিছু মোজেজা দেওয়া হয়েছিল যা দেখে মানুষ ঈমান এনেছে। আর আমাকে দেওয়া হয়েছে এই ওহি বা কোরআন। আমি আশা করি কেয়ামতের দিন আমার অনুসারীই সবচেয়ে বেশি হবে।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৯৮১)

২৩ বছরের ব্যবধানে টুকরো টুকরো হয়ে নাজিল হওয়া এই গ্রন্থটি আজ মানবজাতির জন্য আলোকবর্তিকা হয়ে টিকে আছে, যার একটি অক্ষরও আজ পর্যন্ত পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগঃ

নবীজির ওপর যেভাবে ওহি নাজিল হত

সময়ঃ ১২:০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

কোরআন নাজিলের সময়কাল

পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, “রমজান মাস, যাতে কোরআন নাজিল করা হয়েছে।” (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৮৫)

এই ‘নাজিল হওয়া’র ব্যাখ্যা নিয়ে মুফাসসিরদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর মতে, পুরো কোরআন একসঙ্গে কদরের রাতে প্রথম আসমানের ‘বাইতুল ইজ্জাহ’তে অবতীর্ণ হয় এবং সেখান থেকে প্রয়োজনে ক্রমে ক্রমে দুনিয়ায় আসে।

তবে অনেক আধুনিক গবেষক এবং মুফাসসির মনে করেন, এই আয়াতের সবচেয়ে সঠিক ব্যাখ্যা হলো—রমজান মাসে কদরের রাতে প্রথম কোরআন নাজিলের সূচনা হয়েছিল। 

ইবনে ইসহাক ও আবু সুলাইমান আল-দামেশকির মতে, কোরআনের প্রথম অংশ যেহেতু রমজানে এসেছিল, তাই একে রমজানে নাজিল হওয়া বলা হয়েছে। তাফসিরে মানার-এ এই মতটিকেই জোরালোভাবে সমর্থন করা হয়েছে।

চূড়ান্ত মোজেজা

নবীজি (সা.) বলেছিলেন, “প্রত্যেক নবীকে এমন কিছু মোজেজা দেওয়া হয়েছিল যা দেখে মানুষ ঈমান এনেছে। আর আমাকে দেওয়া হয়েছে এই ওহি বা কোরআন। আমি আশা করি কেয়ামতের দিন আমার অনুসারীই সবচেয়ে বেশি হবে।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৯৮১)

২৩ বছরের ব্যবধানে টুকরো টুকরো হয়ে নাজিল হওয়া এই গ্রন্থটি আজ মানবজাতির জন্য আলোকবর্তিকা হয়ে টিকে আছে, যার একটি অক্ষরও আজ পর্যন্ত পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি।