অধ্যাপক ল্যামি বলেন, অবকাঠামোর অভাব, শ্রমিক–সংকট এবং বিরূপ আবহাওয়ার কারণে গ্রিনল্যান্ডে খনি পরিচালনা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হবে।
ডেনিশ ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের গবেষক মিকেল রুঞ্জ ওলেসেন বলেন, গ্রিনল্যান্ড দীর্ঘ সময় ধরে বিদেশি বিনিয়োগ টানার চেষ্টা করলেও খুব একটা সফল হয়নি। কারণ, সেখানে খনিজ উত্তোলনের খরচ অনেক বেশি।
তবে গ্রিনল্যান্ডে বরফ দ্রুত গলতে শুরু করায় পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে খনি উত্তোলনের পথ যেমন সহজ হচ্ছে, তেমনি জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা বাড়ছে।
হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের আর্কটিক ইনিশিয়েটিভের পরিচালক জেনিফার স্পেন্স মনে করেন, গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান ও খনিজ সম্পদই ট্রাম্পকে দ্বীপটির প্রতি আকর্ষণ করছে। তাঁর মতে, ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলে জাতীয় নিরাপত্তার কথা বললেও এর পেছনে মূল চালিকাশক্তি আসলে অর্থনীতি।
Voice24 Admin 





