আরবি ‘আব’ (পিতা) শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো প্রস্তুতি ও সংকল্প। আবার ‘ইবা’ বা ‘আব’ বলতে সুরক্ষা ও আশ্রয়কেও বোঝানো হয়।
পারিভাষিকভাবে পিতা হলেন তিনি, যার মাধ্যমে কোনো সত্তার অস্তিত্ব বা সংশোধন প্রকাশ পায়।
ভাষাবিদদের মতে, ‘আব’ শব্দটি ‘ওয়ালিদ’ অপেক্ষা ব্যাপক। ‘ওয়ালিদ’ বলতে কেবল জন্মদাতা পিতাকে বোঝানো হলেও ‘আব’ শব্দটি পিতা, দাদা এমনকি চাচার ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়।
কোরআন মাজিদে পিতৃত্ব সম্পর্কিত শব্দগুলো প্রায় ১১৭ বার এসেছে। কোরআনের প্রয়োগে ‘পিতা’ শব্দটি তিনটি অর্থে দেখা যায়:
১. পিতা: “যেদিন মানুষ তার মা, বাবা ও ভাই থেকে পলায়ন করবে।” (সুরা আবাসা, আয়াত: ৩৪)
২. চাচা: নবী ইয়াকুব (আ.)-এর মৃত্যুকালে তাঁর সন্তানরা বলেছিল, “আমরা আপনার ইলাহ এবং আপনার পিতৃপুরুষ ইব্রাহিম, ইসমাইল ও ইসহাকের ইলাহের ইবাদত করব।” (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৩৩)
এখানে নবী ইয়াকুবের চাচা ছিলেন হজরত ইসমাইল (আ.)।
৩. পূর্বপুরুষ: “তোমাদের পিতা ইব্রাহিমের মিল্লাত বা আদর্শ।” (সুরা হজ, আয়াত: ৭৮)
Voice24 Admin 











