আজ শনিবার দুপুরে দাসপাড়া মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, হামলা-ভাঙচুরের শিকার দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর ও দোকানের সামনে হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং নিরাপত্তাহীনতার কথা বলছেন। মাছুয়াপাড়া মোড়ে চায়ের দোকান করেন বিনোদিনী দাস। তিনি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘ছেলেগুলো হিড়হিড় করি আসি চোটাচোটি শুরু করল। এক্কেবারে ভাঙচুর। আমাদের গ্রামে অষ্টপ্রহর ছিল। সবাই সেখানে গেছে। গ্রামে কোনো লোক ছিল না। আমার দোকানের ঝাপ ভাঙছে। দরজা ভাঙতে ধরছিল। আমি ঠাসি ধরছি। কোনো শব্দ করি নাই। শব্দ করলে আমাকে চোটাই তো।’
আরেক বাসিন্দা সুর্বনা দাস বলেন, ‘ওরা ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ চলে গেছে। ওদের ফেস আমরা দেখতে পাইনি। ওরা সবগুলো দোকান ভাঙছে। আবার মন্দিরের দিকে গেছে। মন্দিরের দানবাক্সে চোট মারছে। হিন্দুদের ঘরে-গেটে বউ-বেটিদের জঘন্য ভাষায় বাজে গালি দিছে।’
হামলার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দাসপাড়া বাজারের মুদি দোকানদার আরিফ হাসনাত অভিযোগ করেন, ‘সন্ধ্যার পর থেকে ওরা অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করেছে। কিন্তু পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’ স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন, ‘মার্ডার হওয়ার পরে প্রশাসনকে বলা হয়েছিল, আপনারা আমাদের দিকে একটু সুদৃষ্টি রাখবেন, যেন পরবর্তী সময়ে কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হয়। কিন্তু আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা তখন পাই নাই। ছেলেপেলে অস্ত্র নিয়ে ঘুরতেছে, তখনো প্রশাসনকে কয়েকবার ফোন দেওয়া হয়েছিল। ৯৯৯-এও ফোন দিছিলাম। কিন্তু ৯৯৯-এ বা ফোন দিয়ে ডিটেইলস বলতে যে সময়টা লাগে, তাতে ওই রকম দুই-চারটা এলাকা তামা করা কোনো ব্যাপার না।’
Voice24 Admin 










