এই সফরের কয়েক দিন আগেই, ৮ জানুয়ারি, জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার বার্লিনে তাঁর ৭০তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক সিম্পোজিয়ামে আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়ে বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে পরিচালিত মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির তীব্র সমালোচনা করে বলেন, বিশ্ব যেন ‘লুটেরাদের আড্ডায়’ পরিণত না হয়। বিশ্বব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান ভাঙনের দিকে নীরব দর্শক হয়ে না থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ব্রাজিল ও ভারতের মতো দেশগুলোকে বিশ্বব্যবস্থা রক্ষায় এগিয়ে আসতে রাজি করাতে হবে।
জার্মানির প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্যের সুর ধরেই ভারত সফররত চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেন, ভারত যেন কৌশলগত ক্ষেত্রে কেবল রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে না পড়ে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, জার্মানি ভারতের সঙ্গে সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী।
জার্মানি সরকারের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এই সফরকে বার্লিন বিশেষ সম্মানের নিদর্শন হিসেবে দেখছে। একই সঙ্গে ভারত সরকারও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে লক্ষ করেছে যে চ্যান্সেলর তাঁর প্রথম এশিয়া সফরে চীনকে অগ্রাধিকার না দিয়ে আগে ভারতে এসেছেন। যদিও আগামী ফেব্রুয়ারিতে তাঁর চীন সফরের কথা রয়েছে, তবু ভারত সফরের রাজনৈতিক তাৎপর্য দিল্লির কাছে পরিষ্কার বলে মনে করা হচ্ছে।
Voice24 Admin 





