টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই চোটের কারণে ছিটকে গেছেন দলের সেরা দুই পেসার প্যাট কামিন্স ও জস হ্যাজলউড। বিশ্বকাপে এসে অনুশীলনের সময় চোট পেয়েছেন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। আয়ারল্যান্ড ম্যাচের পর আজ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও খেলতে পারেননি। দায়িত্ব সামলেছেন ট্রাভিস হেড। ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে আজ বোলিংয়ের সময় আঙুলে চোট পেয়েছেন অলরাউন্ডার মার্কাস স্টয়নিসও। প্রাথমিক চিকিৎসায় সেরে না ওঠায় মাঠই ছেড়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। পরে ব্যাটিংয়ে নেমেছেন ৭ নম্বরে, আউট হয়েছেন মাত্র ৬ রানে।
স্টয়নিস চোটে মাঠ ছেড়ে যাওয়ার ধারাভাষ্যে থাকা অ্যারন ফিঞ্চ কামিন্স, হ্যাজলউড ও মার্শের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, অস্ট্রেলিয়া ‘আর কোনো চোট সইতে পারবে না’। স্টয়নিস যদি চোটের কারণে শ্রীলঙ্কা ও ওমান ম্যাচ মিস করেন, সেটি হবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় ধাক্কা। ২০২১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জেতা আসরে ১৩৭ স্ট্রাইক রেটে ৮০ রান করেছিলেন স্টয়নিস।
টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে তাঁর এই ব্যাটিং–ছন্দ দেখা গেছে ২০২২ ও ২০২৪ আসরেও। প্রথমটিতে ১৬২ স্ট্রাইক রেটে আর দ্বিতীটিতে ১৬৪ স্ট্রাইক রেটে ৪২ গড়ে ব্যাট করেছেন। এবারও প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন ৪৫ রানের ইনিংস। সেই স্টয়নিস পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলতে পারবেন কি না, তা এখন অনিশ্চিত। আজ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের পর ম্যাট রেন শ সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে বলেছেন, ‘মেডিকেল স্টাফরা পরীক্ষা করে দেখবেন তাঁর চোট কতটা গুরুতর।’
২০২১ সালে ট্রফি জেতার পর সর্বশেষ দুই আসরে সেমিফাইনালে খেলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। বিদায় নিয়েছে সুপার টুয়েলভ ও সুপার এইট থেকে। এবার প্রথম রাউন্ড পেরোনোই হয়ে দাঁড়িয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। অস্ট্রেলিয়া বড় বিপদেই আছে বলতে হচ্ছে!
Voice24 Admin 








