২ ও ৩. ত্রিকোণমিতি ও সারণী পদ্ধতি
প্রাচীন মিশরীয়দের আবিষ্কৃত ত্রিকোণমিতিক সারণী ব্যবহার করে কিবলার কোণ নির্ণয় করা হয়। এটি প্রথম পদ্ধতির ফলাফলকেই গাণিতিক চার্টের মাধ্যমে আরও নিশ্চিত করে।
৪. স্টার স্ফিয়ার বা নক্ষত্র গোলক পদ্ধতি
নাবিকরা সমুদ্রের মাঝখানে দ্রুত কিবলা নির্ণয়ে এটি ব্যবহার করেন। কাবার অক্ষাংশকে (Latitude) নক্ষত্র গোলকের ইনক্লিনেশন প্যারালালের সঙ্গে সামঞ্জস্য করে কাবার সঠিক অবস্থান বের করা হয়।
৫. স্টার ডিস্ক বা নক্ষত্র চাকতি পদ্ধতি
এটি নক্ষত্র গোলকের মতোই, তবে এখানে গোলকের বদলে সমতল নক্ষত্র চাকতি ব্যবহার করে কাবার অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ (Longitude) মিলিয়ে দিক নির্ণয় করা হয়।
৬. ওয়েরিস কোণ
এই পদ্ধতিতে কাবার দ্রাঘিমাংশকে মহাজাগতিক বস্তুর ইনক্লিনেশনের বেস লাইনের সঙ্গে মিলিয়ে কিবলা নির্ধারণ করা হয়।
৭. নেভিগেশনাল ডিভাইস ও স্যাটেলাইট
আধুনিক জিপিএস এবং স্যাটেলাইট ডিভাইসে কাবার স্থানাঙ্ক (Coordinates) একটি ‘রেফারেন্স পয়েন্ট’ হিসেবে জমা রাখা হয়। ফলে বিশ্বের যেকোনো দুর্গম স্থানে থাকলেও ডিভাইসটি মুহূর্তের মধ্যে কাবার দূরত্ব ও সঠিক দিক জানিয়ে দেয়।
৮. কাবার ওপর সূর্যের অবস্থান
এটি কিবলা নির্ণয়ের সবচেয়ে সহজ ও প্রাকৃতিক পদ্ধতি। বছরে দুইবার সূর্য সরাসরি কাবার ঠিক মাথার ওপর অবস্থান করে। ওই মুহূর্তে মক্কার বাসিন্দারা কোনো ছায়া দেখতে পান না। ওই নির্দিষ্ট সময়ে বিশ্বের অন্য প্রান্তের মানুষ সূর্যের দিকে মুখ করলে সেটিই হবে কিবলা।
-
২৮ মে: সৌদি সময় দুপুর ১২টা ১৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে।
-
১৬ জুলাই: সৌদি সময় দুপুর ১২টা ২৬ মিনিট ৪০ সেকেন্ডে। (এই সময়ে আফ্রিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ার অধিকাংশ মানুষ সূর্য দেখে কিবলা নিশ্চিত করতে পারেন।)
৯. বৈশ্বিক প্রার্থনা মানচিত্র
আমেরিকার ইসলামিক সেন্টার কর্তৃক তৈরি করা এই মানচিত্রে বিশ্বের প্রধান প্রধান শহরগুলোর কিবলা কোণ দেওয়া থাকে, যা সাধারণ মানুষের জন্য কিবলা বোঝা সহজ করে দেয়।
Voice24 Admin 









