০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এপস্টেইন–ঝড়ে স্টারমারের রাজনৈতিক শক্তি নড়বড়ে

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪১ Time View

যুক্তরাষ্ট্রের মতো ‘সব ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার’ বিলাসিতা কিয়ার স্টারমারের নেই। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হয়তো মনে মনে এমনটাই চাইছেন, কিন্তু পরিস্থিতি তার পুরো বিপরীত। বৃহস্পতিবার তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্ব আক্ষরিক অর্থেই সুতায় ঝুলছিল। নিজের দল লেবার পার্টির এমপিদের বিদ্রোহ এবং একের পর এক সংকটে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট এখন দিশাহারা। সাবেক ক্যাবিনেট মন্ত্রী পিটার ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে এপস্টেইনের সখ্যের কথা জেনেও কেন তাঁকে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত করা হলো—বুধবার পার্লামেন্টে এমন প্রশ্নের মুখে পড়েন স্টারমার। নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ম্যান্ডেলসন যে এপস্টেইনকে চিনতেন তা আগে থেকেই জানা ছিল, কিন্তু সেই সম্পর্কের গভীরতা আর অন্ধকার দিকগুলো আমাদের কারোরই জানা ছিল না।’

২০০৮ সালে ফ্লোরিডায় যৌন অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার পরও ম্যান্ডেলসন এপস্টেইনকে সমর্থন দিয়ে গেছেন, এমন তথ্য আসার পর গত বছরই তাঁকে বরখাস্ত করেছিলেন স্টারমার। কিন্তু এবারের ধাক্কাটা আরও গুরুতর।

নতুন ফাঁস হওয়া নথি বলছে, ২০০৮ সালের বিশ্বমন্দার চরম মুহূর্তে ম্যান্ডেলসন রাষ্ট্রীয় গোপন এবং বাজার নিয়ন্ত্রণকারী তথ্য এপস্টেইনকে পাচার করেছিলেন। ওয়াল স্ট্রিটের চতুর বিনিয়োগকারীদের কাছে এই তথ্যের মূল্য ছিল অকল্পনীয়। এই অভিযোগ সামনে আসার পর ম্যান্ডেলসন হাউস অব লর্ডস এবং লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন। এখন তাঁর বিরুদ্ধে চলছে ফৌজদারি তদন্ত।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

এপস্টেইন–ঝড়ে স্টারমারের রাজনৈতিক শক্তি নড়বড়ে

সময়ঃ ১২:০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মতো ‘সব ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার’ বিলাসিতা কিয়ার স্টারমারের নেই। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হয়তো মনে মনে এমনটাই চাইছেন, কিন্তু পরিস্থিতি তার পুরো বিপরীত। বৃহস্পতিবার তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্ব আক্ষরিক অর্থেই সুতায় ঝুলছিল। নিজের দল লেবার পার্টির এমপিদের বিদ্রোহ এবং একের পর এক সংকটে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট এখন দিশাহারা। সাবেক ক্যাবিনেট মন্ত্রী পিটার ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে এপস্টেইনের সখ্যের কথা জেনেও কেন তাঁকে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত করা হলো—বুধবার পার্লামেন্টে এমন প্রশ্নের মুখে পড়েন স্টারমার। নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ম্যান্ডেলসন যে এপস্টেইনকে চিনতেন তা আগে থেকেই জানা ছিল, কিন্তু সেই সম্পর্কের গভীরতা আর অন্ধকার দিকগুলো আমাদের কারোরই জানা ছিল না।’

২০০৮ সালে ফ্লোরিডায় যৌন অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার পরও ম্যান্ডেলসন এপস্টেইনকে সমর্থন দিয়ে গেছেন, এমন তথ্য আসার পর গত বছরই তাঁকে বরখাস্ত করেছিলেন স্টারমার। কিন্তু এবারের ধাক্কাটা আরও গুরুতর।

নতুন ফাঁস হওয়া নথি বলছে, ২০০৮ সালের বিশ্বমন্দার চরম মুহূর্তে ম্যান্ডেলসন রাষ্ট্রীয় গোপন এবং বাজার নিয়ন্ত্রণকারী তথ্য এপস্টেইনকে পাচার করেছিলেন। ওয়াল স্ট্রিটের চতুর বিনিয়োগকারীদের কাছে এই তথ্যের মূল্য ছিল অকল্পনীয়। এই অভিযোগ সামনে আসার পর ম্যান্ডেলসন হাউস অব লর্ডস এবং লেবার পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন। এখন তাঁর বিরুদ্ধে চলছে ফৌজদারি তদন্ত।