০৩:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধার ১৫০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত 

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪২ Time View

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া এম এ ইউ একাডেমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রায়হান সরকারের গাফিলতিতে বিদ্যালয়ের প্রায় ১৫০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে পরীক্ষার আগে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া এম এ ইউ একাডেমিক বিদ্যালয়ের ২১২ শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে একযোগে মাধ্যমিক স্কুল সাটিফিকের্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে প্রবেশপত্র তুলতে দিয়ে দেখেন- কারো মা-বাবার নাম ভুল। কারো পুরুষ শিক্ষার্থীর ছবির জায়গায় অন্য মেয়ের ছবি। আবার ছেলের ছবির জায়গায় মেয়ে শিক্ষার্থীর ছবি। অনেকে বিজ্ঞানে পড়াশুনা করলেও প্রবেশপত্রে মানবিক বিভাগে অনুমতি এসেছে। আবার বেশ কিছু পরিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আসেনি। 

পরীক্ষার্থীরা বলছেন, প্রধান শিক্ষক মো. রায়হান সরকার ফরম পূরণের টাকার হিসাব যেন প্রতিষ্ঠানের অন্যরা না জানে, সেজন্য তিনি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক বা কম্পিউটার অপারেটরের সহযোগিতা না নিয়ে একটি দোকান থেকে কাজ করার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রে নানান ভুল হয়েছে।  

স্কুল সংশ্লিষ্টরা জানায়, চলতি মাসের ২১ তারিখ থেকে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষায় কঞ্চিপাড়া এম এ ইউ একাডেমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ৬৮ জন, মানবিকে ১৪৫ জনসহ মোট ২১২ জন অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

কয়েক দিন আগেই ফুলছড়ির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র হাতে তুলে দেয়। কিন্তু কঞ্চিপাড়া এম এ ইউ একাডেমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র তুলে ভুল দেখতে পায়। 

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক রায়হান সরকার বলেন, ‘‘আমার কারণে ভুল হয়েছে। আমি সমাধান করে দেবো। একজন পরীক্ষার্থীও পরীক্ষা থেকে বাদ পড়বে না। সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কাউকে টেনশন করতে হবে না।’’ 

ফুলছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার সৈয়দ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘‘প্রধান শিক্ষক এই সমস্যা নিয়ে কাজ করছেন। আশা করি, আগামীকাল পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে সমস্যা হবে না।’’  

ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী যেন পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে। আগামীকাল শিক্ষকদের প্রতিনিধি দল ঢাকা থেকে ওই পরীক্ষা কেন্দ্রে যাবে। শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনে তথ্য ভুল হয়েছে। তারা আগামীকাল পরীক্ষা দিতে পারবে।

ট্যাগঃ

গাইবান্ধার ১৫০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত 

সময়ঃ ১২:০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া এম এ ইউ একাডেমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রায়হান সরকারের গাফিলতিতে বিদ্যালয়ের প্রায় ১৫০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে পরীক্ষার আগে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া এম এ ইউ একাডেমিক বিদ্যালয়ের ২১২ শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে একযোগে মাধ্যমিক স্কুল সাটিফিকের্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে প্রবেশপত্র তুলতে দিয়ে দেখেন- কারো মা-বাবার নাম ভুল। কারো পুরুষ শিক্ষার্থীর ছবির জায়গায় অন্য মেয়ের ছবি। আবার ছেলের ছবির জায়গায় মেয়ে শিক্ষার্থীর ছবি। অনেকে বিজ্ঞানে পড়াশুনা করলেও প্রবেশপত্রে মানবিক বিভাগে অনুমতি এসেছে। আবার বেশ কিছু পরিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আসেনি। 

পরীক্ষার্থীরা বলছেন, প্রধান শিক্ষক মো. রায়হান সরকার ফরম পূরণের টাকার হিসাব যেন প্রতিষ্ঠানের অন্যরা না জানে, সেজন্য তিনি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক বা কম্পিউটার অপারেটরের সহযোগিতা না নিয়ে একটি দোকান থেকে কাজ করার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রে নানান ভুল হয়েছে।  

স্কুল সংশ্লিষ্টরা জানায়, চলতি মাসের ২১ তারিখ থেকে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষায় কঞ্চিপাড়া এম এ ইউ একাডেমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ৬৮ জন, মানবিকে ১৪৫ জনসহ মোট ২১২ জন অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

কয়েক দিন আগেই ফুলছড়ির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র হাতে তুলে দেয়। কিন্তু কঞ্চিপাড়া এম এ ইউ একাডেমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র তুলে ভুল দেখতে পায়। 

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক রায়হান সরকার বলেন, ‘‘আমার কারণে ভুল হয়েছে। আমি সমাধান করে দেবো। একজন পরীক্ষার্থীও পরীক্ষা থেকে বাদ পড়বে না। সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কাউকে টেনশন করতে হবে না।’’ 

ফুলছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার সৈয়দ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘‘প্রধান শিক্ষক এই সমস্যা নিয়ে কাজ করছেন। আশা করি, আগামীকাল পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে সমস্যা হবে না।’’  

ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী যেন পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে। আগামীকাল শিক্ষকদের প্রতিনিধি দল ঢাকা থেকে ওই পরীক্ষা কেন্দ্রে যাবে। শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনে তথ্য ভুল হয়েছে। তারা আগামীকাল পরীক্ষা দিতে পারবে।