ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবানন মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। এটি হবে ৪০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম প্রকাশ্য বৈঠক।
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটার এই বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। তিনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে তার লেবানিজ প্রতিপক্ষ নাদা হামাদেহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
লাইটার গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেওয়া দুটি নীতির অধীনে কাজ করবেন: হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ এবং লেবাননের সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন।
তবে, ইসরায়েলি সূত্রগুলো মনে করছে, দুই পক্ষের মধ্যে ব্যবধান অনেক বড়: লেবানন আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে যুদ্ধবিরতি দাবি করছে, অন্যদিকে ইসরায়েল জোর দিয়ে বলছে যে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং গোলাগুলির মধ্যেই আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে।
তা সত্ত্বেও, ইসরায়েলি সূত্রগুলো জানিয়েছে, মার্কিন চাপের কারণে ইসরায়েল লেবাননে তার হামলার গতি ও ভৌগোলিক পরিধি কমিয়ে এনেছে এবং সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বৈরুত ও বেকা উপত্যকার বেশিরভাগ অংশে হামলা চালানো থেকে বিরত থেকেছে। এখন প্রতিটি হামলার জন্য রাজনৈতিক পর্যায়ের অনুমোদন প্রয়োজন। তবে, ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তু বলে দাবি করা স্থানগুলোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে।
২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছেছিল। ওই চুক্তিতে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু সেই যুদ্ধবিরতি ভেস্তে গেছে।
একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নেতানিয়াহু এখন আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি চাইছেন, যার মধ্যে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার জন্য লেবাননের আরো দৃঢ় প্রতিশ্রুতি এবং সম্পর্কের ব্যাপক উন্নতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
Voice24 Admin 








