০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষকের কষ্ট আমরা দেখেছি, এবার স্বপ্ন পূরণের সময়: শিক্ষামন্ত্রী

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪২ Time View

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ব‌লে‌ছেন, “কৃষকের কষ্ট আমরা দেখেছি, এবার স্বপ্ন পূরণের সময়।” 

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ২টায় বগুড়ায় শিবগঞ্জ উপজেলার উথলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কৃষক কার্ড প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তি‌নি এ কথা ব‌লেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “বহুদিন পর বগুড়ায় আসতে পেরেছি। আসা বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। কত যে যন্ত্রণা, কতটা কষ্ট আপনারা করেছেন, আমরা তার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হয়েছিলাম। আবার আমরা পেয়েছি এই বাংলাদেশ গড়ার কারিগর, আপনাদের এলাকার সন্তান, আমাদের প্রিয় নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে।”

দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও প্রয়াত নেতাদের স্মরণ করে তিনি বলেন, “আজ আমাদের মাঝে দেশমাতা নেই। নেই আমাদের আরাফাত রহমান কোকো, নেই আমাদের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আমরা রয়েছি তার উত্তরসূরি। আল্লাহ দেশমাতাকে বেহেস্ত নসিব করুক।”

জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কতটা সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তিতাস ব্যারেজ করেছিলেন। ৩৪.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি এই অঞ্চলকে সুজলা-সুফলা করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটার ক্যানেল নির্মাণ করেছিলেন, যার কনসেপ্ট ছিল অত্যন্ত আধুনিক।”

বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

তিনি বলেন, “২০০১ থেকে ২০০৬ সালে জিয়া ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে কাজ করা হয়েছিল। ২০০৪ সালে ‘লিভিং উইথ দ্য ফ্লাড’ শীর্ষক সেমিনারে বন্যার সাথে খাপ খাইয়ে চলার ধারণা দেওয়া হয়েছিল, যা ছিল সময়োপযোগী চিন্তা।

কৃষকদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আজকে যখন কৃষকদের হাত তুলতে বলা হলো, দেখলাম শত শত কৃষক উপস্থিত হয়েছেন। এই সমাবেশ অন্য জায়গার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়, বরং বৃহত্তর সমাবেশ হয়েছে।”

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের প্রশংসা করে শিক্ষা বলেন, “কৃষকদের হাতে জুস না পৌঁছানো পর্যন্ত তিনি নিজে কিছু গ্রহণ করেননি। এই হচ্ছে আপনাদের শাহে আলম, যিনি মানুষের হৃদয় উপলব্ধি করেন।”

বগুড়াকে শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “২০০১ থেকে ২০০৬ সময়ে আমরা বগুড়ায় বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম। সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি চালু হয়েছিল, যা এখন বন্ধ। সেটি পুনরায় চালুর জন্য শাহে আলম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা চাই, বগুড়া হোক দেশের শিক্ষা হাব। আমি আজকে আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি, শাহে আলম এবং আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাব।”

অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি), জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগঃ

কৃষকের কষ্ট আমরা দেখেছি, এবার স্বপ্ন পূরণের সময়: শিক্ষামন্ত্রী

সময়ঃ ১২:০৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ব‌লে‌ছেন, “কৃষকের কষ্ট আমরা দেখেছি, এবার স্বপ্ন পূরণের সময়।” 

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ২টায় বগুড়ায় শিবগঞ্জ উপজেলার উথলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কৃষক কার্ড প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তি‌নি এ কথা ব‌লেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “বহুদিন পর বগুড়ায় আসতে পেরেছি। আসা বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। কত যে যন্ত্রণা, কতটা কষ্ট আপনারা করেছেন, আমরা তার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হয়েছিলাম। আবার আমরা পেয়েছি এই বাংলাদেশ গড়ার কারিগর, আপনাদের এলাকার সন্তান, আমাদের প্রিয় নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে।”

দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও প্রয়াত নেতাদের স্মরণ করে তিনি বলেন, “আজ আমাদের মাঝে দেশমাতা নেই। নেই আমাদের আরাফাত রহমান কোকো, নেই আমাদের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আমরা রয়েছি তার উত্তরসূরি। আল্লাহ দেশমাতাকে বেহেস্ত নসিব করুক।”

জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কতটা সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তিতাস ব্যারেজ করেছিলেন। ৩৪.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি এই অঞ্চলকে সুজলা-সুফলা করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটার ক্যানেল নির্মাণ করেছিলেন, যার কনসেপ্ট ছিল অত্যন্ত আধুনিক।”

বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

তিনি বলেন, “২০০১ থেকে ২০০৬ সালে জিয়া ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে কাজ করা হয়েছিল। ২০০৪ সালে ‘লিভিং উইথ দ্য ফ্লাড’ শীর্ষক সেমিনারে বন্যার সাথে খাপ খাইয়ে চলার ধারণা দেওয়া হয়েছিল, যা ছিল সময়োপযোগী চিন্তা।

কৃষকদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আজকে যখন কৃষকদের হাত তুলতে বলা হলো, দেখলাম শত শত কৃষক উপস্থিত হয়েছেন। এই সমাবেশ অন্য জায়গার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়, বরং বৃহত্তর সমাবেশ হয়েছে।”

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের প্রশংসা করে শিক্ষা বলেন, “কৃষকদের হাতে জুস না পৌঁছানো পর্যন্ত তিনি নিজে কিছু গ্রহণ করেননি। এই হচ্ছে আপনাদের শাহে আলম, যিনি মানুষের হৃদয় উপলব্ধি করেন।”

বগুড়াকে শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “২০০১ থেকে ২০০৬ সময়ে আমরা বগুড়ায় বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলাম। সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি চালু হয়েছিল, যা এখন বন্ধ। সেটি পুনরায় চালুর জন্য শাহে আলম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা চাই, বগুড়া হোক দেশের শিক্ষা হাব। আমি আজকে আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি, শাহে আলম এবং আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাব।”

অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি), জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।