০৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মূল কাজ শুরুর আগেই ১১ হাজার গ্রহাণু আবিষ্কার করেছে ভেরা সি. রুবিন মানমন্দির

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪২ Time View

হার্ভার্ড এবং স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিকসের গবেষক ম্যাথিউ হোলম্যান বলেন, ‘আকাশের লক্ষ কোটি আলোর বিন্দুর মধ্য থেকে একটি বস্তু খুঁজে বের করা খড়ের গাদায় সুই খোঁজার মতো কঠিন কাজ। কম্পিউটারকে কোটি কোটি কম্বিনেশন বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য দূরবর্তী জগৎগুলোকে আলাদা করার জন্য আমাদের বিশেষ অ্যালগরিদম ব্যবহার করতে হয়েছে।’

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আরি হেইঞ্জ এবং জ্যাকব কুরল্যান্ডারের তৈরি করা বিশেষ সফটওয়্যার এই বিশাল ডেটা বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানের যেকোনো মানমন্দিরের চেয়ে রুবিন মানমন্দিরের সংবেদনশীলতা প্রায় ছয় গুণ বেশি। এর বিশাল আয়না, বিশ্বের সর্ববৃহৎ ডিজিটাল ক্যামেরা এবং অত্যাধুনিক সফটওয়্যারের সমন্বয় অতি ম্লান এবং দ্রুতগতিতে ছুটে চলা বস্তুগুলোকেও শনাক্ত করতে পারে।

সবচেয়ে দারুণ খবর হলো, এটি তো কেবল শুরু! ১০ বছর মেয়াদি মূল জরিপটি যখন শুরু হবে, তখন বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, রুবিন প্রতি দুই থেকে তিন রাতে এ রকম ১১ হাজার করে গ্রহাণু আবিষ্কার করবে। এটি সৌরজগতের ইতিহাস ও বিবর্তন বুঝতে আমাদের বর্তমান জ্ঞানকে পুরোপুরি বদলে দেবে।

নতুন আবিষ্কৃত এই গ্রহাণুগুলো সম্পর্কে আরও জানতে এবং সেগুলোর ত্রিমাত্রিক অবস্থান দেখতে চাইলে, অনলাইনে রুবিন অরবিটভিউয়ার এবং স্মল বডি এক্সপ্লোরার সাইটগুলো ঘুরে আসতে পারেন।

সূত্র: ইউনিভার্স টুডে

ট্যাগঃ

মূল কাজ শুরুর আগেই ১১ হাজার গ্রহাণু আবিষ্কার করেছে ভেরা সি. রুবিন মানমন্দির

সময়ঃ ১২:০৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

হার্ভার্ড এবং স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিকসের গবেষক ম্যাথিউ হোলম্যান বলেন, ‘আকাশের লক্ষ কোটি আলোর বিন্দুর মধ্য থেকে একটি বস্তু খুঁজে বের করা খড়ের গাদায় সুই খোঁজার মতো কঠিন কাজ। কম্পিউটারকে কোটি কোটি কম্বিনেশন বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য দূরবর্তী জগৎগুলোকে আলাদা করার জন্য আমাদের বিশেষ অ্যালগরিদম ব্যবহার করতে হয়েছে।’

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আরি হেইঞ্জ এবং জ্যাকব কুরল্যান্ডারের তৈরি করা বিশেষ সফটওয়্যার এই বিশাল ডেটা বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানের যেকোনো মানমন্দিরের চেয়ে রুবিন মানমন্দিরের সংবেদনশীলতা প্রায় ছয় গুণ বেশি। এর বিশাল আয়না, বিশ্বের সর্ববৃহৎ ডিজিটাল ক্যামেরা এবং অত্যাধুনিক সফটওয়্যারের সমন্বয় অতি ম্লান এবং দ্রুতগতিতে ছুটে চলা বস্তুগুলোকেও শনাক্ত করতে পারে।

সবচেয়ে দারুণ খবর হলো, এটি তো কেবল শুরু! ১০ বছর মেয়াদি মূল জরিপটি যখন শুরু হবে, তখন বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, রুবিন প্রতি দুই থেকে তিন রাতে এ রকম ১১ হাজার করে গ্রহাণু আবিষ্কার করবে। এটি সৌরজগতের ইতিহাস ও বিবর্তন বুঝতে আমাদের বর্তমান জ্ঞানকে পুরোপুরি বদলে দেবে।

নতুন আবিষ্কৃত এই গ্রহাণুগুলো সম্পর্কে আরও জানতে এবং সেগুলোর ত্রিমাত্রিক অবস্থান দেখতে চাইলে, অনলাইনে রুবিন অরবিটভিউয়ার এবং স্মল বডি এক্সপ্লোরার সাইটগুলো ঘুরে আসতে পারেন।

সূত্র: ইউনিভার্স টুডে