১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘চাকরি দেব’ বলে ডেকে এনে শ্যালককে হত্যা করা হয়েছে, স্বজনদের অভিযোগ

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ৫৬৪ Time View

গাজীপুরে পাঁচ খুন

গাজীপুর পূর্ব প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:০০, ৯ মে ২০২৬   আপডেট: ১৮:০১, ৯ মে ২০২৬

নিহত রসুলের স্বজনের আহাজারি

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। নিহতদের স্বজনদের দাবি, শ্যালক রসুল মিয়াকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় ডেকে এনে হত্যা করা হয়েছে।

তারা জানান, দুলাভাই ফোরকান মিয়া শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে রসুলকে ফোন করেন। তিনি জানান, একটি চাকরির ব্যবস্থা হয়েছে এবং বেতন ধরা হয়েছে ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। সেই আশায় সন্ধ্যায় ফোরকানের বাসায় যান রসুল।

রসুলের ভাই শাহিন বলেন, “আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নেওয়া হয়েছে। চাকরির কথা বলে এনে তাকে হত্যা করেছে। আমরা এমন নির্মম ঘটনা কখনো দেখিনি।”

স্বজনদের দাবি, রাত ৮টা পর্যন্ত নিহতদের মোবাইল ফোন সচল ছিল। এর পর সবার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শনিবার সকালে তারা জানতে পারেন, ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তাদের তিন সন্তান ও রসুলকে হত্যা করা হয়েছে।

রাউতকোনা গ্রামের বাসিন্দা বাচ্চু মিয়া বলেন, “আজ সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। তিন মেয়ে সন্তানকেও হত্যা করা হয়েছে। পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই ফোরকান মিয়া নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের পর তিনি পালিয়ে গেছেন।

ঢাকা/রফিক সরকার/রফিক

ট্যাগঃ

‘চাকরি দেব’ বলে ডেকে এনে শ্যালককে হত্যা করা হয়েছে, স্বজনদের অভিযোগ

সময়ঃ ১২:০৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

গাজীপুরে পাঁচ খুন

গাজীপুর পূর্ব প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:০০, ৯ মে ২০২৬   আপডেট: ১৮:০১, ৯ মে ২০২৬

নিহত রসুলের স্বজনের আহাজারি

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। নিহতদের স্বজনদের দাবি, শ্যালক রসুল মিয়াকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় ডেকে এনে হত্যা করা হয়েছে।

তারা জানান, দুলাভাই ফোরকান মিয়া শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে রসুলকে ফোন করেন। তিনি জানান, একটি চাকরির ব্যবস্থা হয়েছে এবং বেতন ধরা হয়েছে ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। সেই আশায় সন্ধ্যায় ফোরকানের বাসায় যান রসুল।

রসুলের ভাই শাহিন বলেন, “আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নেওয়া হয়েছে। চাকরির কথা বলে এনে তাকে হত্যা করেছে। আমরা এমন নির্মম ঘটনা কখনো দেখিনি।”

স্বজনদের দাবি, রাত ৮টা পর্যন্ত নিহতদের মোবাইল ফোন সচল ছিল। এর পর সবার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শনিবার সকালে তারা জানতে পারেন, ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তাদের তিন সন্তান ও রসুলকে হত্যা করা হয়েছে।

রাউতকোনা গ্রামের বাসিন্দা বাচ্চু মিয়া বলেন, “আজ সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। তিন মেয়ে সন্তানকেও হত্যা করা হয়েছে। পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই ফোরকান মিয়া নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের পর তিনি পালিয়ে গেছেন।

ঢাকা/রফিক সরকার/রফিক