০৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি দপ্তরের বিরুদ্ধে ৯ অভিযোগ ক‌মিশ‌নে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ৫৪৬ Time View

‘সবাই মিলে গড়ব দেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ’-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গাইবান্ধায় দুর্নীত দমন কমিশনের (দুদক) ১৯৩তম গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গণশুনানিতে গাইবান্ধা জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের বিরুদ্ধে উত্থাপিত ৯টি অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য কমিশনে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রংপুর আয়োজিত গাইবান্ধা ইনডোর স্টেডিয়ামে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

দুর্নীতিবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর-সংস্থাসমূহে সেবার মানের উন্নয়ন, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি রোধ এবং সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে এ গণশুনানি হয়।

গণশুনানির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেন, “সাধারণ মানুষের মাঝে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবার মান বৃদ্ধির জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দুদক সারা দেশে নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন করে থাকে।”

গণশুনানিতে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক মো মোতাহার হোসেন, গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজিব এবং দুদকের বিভাগীয় কার্যালয় রংপুরের পরিচালক নুরুল হুদা বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।

দুর্নীতির অপরাধে শাস্তির বিষয়ে সাধারণ মানুষ অবগত এবং সচেতন থাকলে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর দুর্নীতিমুক্ত হবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গণশুনানিতে ৩২টি সরকারি, আধা-সরকারি স্বায়ত্বশাসিত্ব দপ্তরের বিরুদ্ধে ৯৭টি অভিযোগের শুনানি হয়। গণশুনানিতে গণপূর্ত অধিদফতর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, কাস্টমস, পরিবেশ অধিদপ্তর, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল, রেলওয়ে এবং এলজিইডির ৭টি অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভুমি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগগুলোর বিষয়ে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জেলা রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। বাকি অভিযোগগুলোর তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া হয়। 

ট্যাগঃ

সরকারি দপ্তরের বিরুদ্ধে ৯ অভিযোগ ক‌মিশ‌নে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত

সময়ঃ ১২:০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

‘সবাই মিলে গড়ব দেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ’-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গাইবান্ধায় দুর্নীত দমন কমিশনের (দুদক) ১৯৩তম গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গণশুনানিতে গাইবান্ধা জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের বিরুদ্ধে উত্থাপিত ৯টি অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য কমিশনে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রংপুর আয়োজিত গাইবান্ধা ইনডোর স্টেডিয়ামে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

দুর্নীতিবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সরকারি-আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর-সংস্থাসমূহে সেবার মানের উন্নয়ন, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি রোধ এবং সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে এ গণশুনানি হয়।

গণশুনানির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেন, “সাধারণ মানুষের মাঝে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবার মান বৃদ্ধির জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দুদক সারা দেশে নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন করে থাকে।”

গণশুনানিতে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক মো মোতাহার হোসেন, গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজিব এবং দুদকের বিভাগীয় কার্যালয় রংপুরের পরিচালক নুরুল হুদা বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।

দুর্নীতির অপরাধে শাস্তির বিষয়ে সাধারণ মানুষ অবগত এবং সচেতন থাকলে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর দুর্নীতিমুক্ত হবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গণশুনানিতে ৩২টি সরকারি, আধা-সরকারি স্বায়ত্বশাসিত্ব দপ্তরের বিরুদ্ধে ৯৭টি অভিযোগের শুনানি হয়। গণশুনানিতে গণপূর্ত অধিদফতর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, কাস্টমস, পরিবেশ অধিদপ্তর, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল, রেলওয়ে এবং এলজিইডির ৭টি অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভুমি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগগুলোর বিষয়ে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জেলা রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। বাকি অভিযোগগুলোর তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া হয়।