০৮:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মদনপুর আলোর পাঠশালাই এখানকার শিক্ষার্থীদের একমাত্র ভরসা

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • ৫৪৫ Time View

মদনপুর ইউনিয়ন ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। এটি মেঘনা নদীর মাঝখানে অবস্থিত। এখানে সরকারি তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও মাধ্যমিক স্তরের লেখাপড়ার জন্য সরকারি কোনো বিদ্যালয় নেই। ফলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি হতো। ফলে মাধ্যমিক স্তরের লেখাপড়ার জন্য প্রথম আলো ট্রাস্ট কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয় মদনপুর আলোর পাঠশালা। এই পাঠশালাটি মদনপুরবাসীকে আলোকিত করছে। মদনপুর আলোর পাঠশালাই এখানকার শিক্ষার্থীদের একমাত্র ভরসা। এখানকার লোকজন কৃষিকাজ, মেষপালন, নদীতে মাছ ধরার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। তাঁদের সন্তানরাই মদনপুর আলোর পাঠশালায় পড়াশোনা করে।

এই চরে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীর বাসায় চেয়ার-টেবিল নেই যেখানে বসে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করবে। তাই শিক্ষার্থীরা শ্রেণির পক্ষে বসেই শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম সমাপ্ত করার চেষ্টা করে। শিক্ষা জীবনে আছে ওদের নানা প্রতিকূলতা। তাই যখন সয়াবিন আসে বা ধান কাটার মৌসুম হয়, তখন শিক্ষার্থীদের কৃষিকাজে পরিবারকে সহযোগিতা করতে হয়। তা ছাড়া বাগদার মৌসুমে কিংবা ইলিশের মৌসুমে ছেলে শিক্ষার্থীরা প্রায় স্কুলশূন্য হয়ে পড়ে। অভাবের কারণে ওদের পিতা-মাতাকে আর্থিক সহযোগিতা করতে হয়।

এখানকার অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের লেখাপড়া নিয়ে তেমন চিন্তা করে না। সন্তানরা স্কুলে আসল কি আসল না, লেখাপড়া করল কি করল না —এসব ব্যাপার নিয়ে তাদের কোনো চিন্তা নেই। সন্তানরা কোন শ্রেণিতে পড়ে সে খবর বেশির ভাগ বাবা-মাই বলতে পারে না। এমন একটা পরিবেশে আলোর পাঠশালা শিক্ষার আলো বিলিয়ে দিচ্ছে। সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে দেওয়া হচ্ছে এই পাঠদান। তাই মদনপুর আলোর পাঠশালাই শিক্ষার্থীদের একমাত্র ভরসা। বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া লেখাপড়া সহ সকল বিষয়ে ভূমিকা রাখছে মদনপুর আলোর পাঠশালার শিক্ষকেরা। এমন একটা পরিবেশে শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করার জন্য প্রথম আলো ট্রাস্টের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।

ট্যাগঃ

মদনপুর আলোর পাঠশালাই এখানকার শিক্ষার্থীদের একমাত্র ভরসা

সময়ঃ ১২:০৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

মদনপুর ইউনিয়ন ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। এটি মেঘনা নদীর মাঝখানে অবস্থিত। এখানে সরকারি তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও মাধ্যমিক স্তরের লেখাপড়ার জন্য সরকারি কোনো বিদ্যালয় নেই। ফলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি হতো। ফলে মাধ্যমিক স্তরের লেখাপড়ার জন্য প্রথম আলো ট্রাস্ট কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয় মদনপুর আলোর পাঠশালা। এই পাঠশালাটি মদনপুরবাসীকে আলোকিত করছে। মদনপুর আলোর পাঠশালাই এখানকার শিক্ষার্থীদের একমাত্র ভরসা। এখানকার লোকজন কৃষিকাজ, মেষপালন, নদীতে মাছ ধরার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। তাঁদের সন্তানরাই মদনপুর আলোর পাঠশালায় পড়াশোনা করে।

এই চরে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীর বাসায় চেয়ার-টেবিল নেই যেখানে বসে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করবে। তাই শিক্ষার্থীরা শ্রেণির পক্ষে বসেই শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম সমাপ্ত করার চেষ্টা করে। শিক্ষা জীবনে আছে ওদের নানা প্রতিকূলতা। তাই যখন সয়াবিন আসে বা ধান কাটার মৌসুম হয়, তখন শিক্ষার্থীদের কৃষিকাজে পরিবারকে সহযোগিতা করতে হয়। তা ছাড়া বাগদার মৌসুমে কিংবা ইলিশের মৌসুমে ছেলে শিক্ষার্থীরা প্রায় স্কুলশূন্য হয়ে পড়ে। অভাবের কারণে ওদের পিতা-মাতাকে আর্থিক সহযোগিতা করতে হয়।

এখানকার অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের লেখাপড়া নিয়ে তেমন চিন্তা করে না। সন্তানরা স্কুলে আসল কি আসল না, লেখাপড়া করল কি করল না —এসব ব্যাপার নিয়ে তাদের কোনো চিন্তা নেই। সন্তানরা কোন শ্রেণিতে পড়ে সে খবর বেশির ভাগ বাবা-মাই বলতে পারে না। এমন একটা পরিবেশে আলোর পাঠশালা শিক্ষার আলো বিলিয়ে দিচ্ছে। সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে দেওয়া হচ্ছে এই পাঠদান। তাই মদনপুর আলোর পাঠশালাই শিক্ষার্থীদের একমাত্র ভরসা। বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া লেখাপড়া সহ সকল বিষয়ে ভূমিকা রাখছে মদনপুর আলোর পাঠশালার শিক্ষকেরা। এমন একটা পরিবেশে শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করার জন্য প্রথম আলো ট্রাস্টের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।