০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে মিনিটে ১ জনের মৃত্যু

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬০৯ Time View

গবেষণায় যুক্ত অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অলি জে বলেন, বছরজুড়ে প্রতি মিনিটে গড়ে একজন মানুষ তাপজনিত বিভিন্ন কারণে মারা যাচ্ছে। এটি সত্যিই চমকে দেওয়ার মতো একটি পরিসংখ্যান। এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। অলি জে বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করছি, তাপজনিত চাপ (হিট স্ট্রেস) সবাইকেই প্রভাবিত করতে পারে। এমনকি এটি প্রাণঘাতীও হতে পারে। কিন্তু আমার মনে হয় অনেক মানুষ সেটা বুঝতে পারে না। অথচ প্রতিটি তাপজনিত মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো নেতাদের জলবায়ু নীতিমালা বাতিল করা ও তেল কোম্পানিগুলোর নতুন মজুত উত্তোলন অব্যাহত রাখায় স্বাস্থ্যের ক্ষতি আরও বাড়বে।

গবেষকদের মতে, ২০২৩ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার জীবাশ্ম জ্বালানি কোম্পানিগুলোকে প্রতিদিন গড়ে ২৫০ কোটি ডলার ভর্তুকি দিয়েছে। অন্যদিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে মানুষ কৃষিক্ষেত্র ও নির্মাণস্থলে কাজ করতে না পারায় প্রায় একই পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছে।

ট্যাগঃ

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে মিনিটে ১ জনের মৃত্যু

সময়ঃ ১২:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

গবেষণায় যুক্ত অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অলি জে বলেন, বছরজুড়ে প্রতি মিনিটে গড়ে একজন মানুষ তাপজনিত বিভিন্ন কারণে মারা যাচ্ছে। এটি সত্যিই চমকে দেওয়ার মতো একটি পরিসংখ্যান। এই সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। অলি জে বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করছি, তাপজনিত চাপ (হিট স্ট্রেস) সবাইকেই প্রভাবিত করতে পারে। এমনকি এটি প্রাণঘাতীও হতে পারে। কিন্তু আমার মনে হয় অনেক মানুষ সেটা বুঝতে পারে না। অথচ প্রতিটি তাপজনিত মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো নেতাদের জলবায়ু নীতিমালা বাতিল করা ও তেল কোম্পানিগুলোর নতুন মজুত উত্তোলন অব্যাহত রাখায় স্বাস্থ্যের ক্ষতি আরও বাড়বে।

গবেষকদের মতে, ২০২৩ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার জীবাশ্ম জ্বালানি কোম্পানিগুলোকে প্রতিদিন গড়ে ২৫০ কোটি ডলার ভর্তুকি দিয়েছে। অন্যদিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে মানুষ কৃষিক্ষেত্র ও নির্মাণস্থলে কাজ করতে না পারায় প্রায় একই পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছে।