০৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংসদে শব্দযন্ত্রের গোলযোগ, সাবোটাজ কি না, তদন্তে কমিটি

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪৩ Time View

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে শব্দযন্ত্রে গোলযোগের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই ঘটনা সাবোটাজ (অন্তর্ঘাতমূলক) ছিল কি না, তা তদন্ত করে ৩ এপ্রিলের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি শব্দযন্ত্রের সমস্যা সমাধানে কী করা যায়, সে বিষয়েও সুপারিশ দেবে কমিটি।

শনিবার (২৮ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ‘সংসদ কমিটির’ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে সংসদ কমিটির সভাপতি চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

১২ মার্চ থেকে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। প্রথম দিনই শব্দযন্ত্রের বিভ্রাটের কারণে অধিবেশন কিছু সময় বন্ধ রাখতে হয়। পরদিনের বৈঠকেও হেডফোন ও সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় একজন সদস্য।

শনিবার সংসদ কমিটির বৈঠক শেষে চিফ হুইপ সাংবাদিকদের বলেন, “ধারণা করা হচ্ছে এখানে একটা সাবোটাজ হয়েছে। ওই ঘটনা তদন্ত করার জন্য সার্জেন্ট এট আর্মসের (সংসদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখভাল করার দায়িত্বে থাকা সংস্থা) নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া আসলেই সাউন্ড সিস্টেমের যে সমস্যা আছে, তা দেখার জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে বিশেষজ্ঞকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।”

চিফ হুইপ জানান, তদন্ত কমিটি প্রধানত দুটো বিষয় দেখবে। প্রথমত, এখানে কোনো সাবোটাজ হয়েছে কি না। দ্বিতীয়ত, সাউন্ড সিস্টেমে সমস্যা কী, তার সমাধান কীভাবে করা যায়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, “হেডফোন নিয়ে সবার অভিযোগ আছে। এত বড় ঢাউস একটা হেডফোন মাথায় দিয়ে মাথা, কান গরম হয়ে যায়।”

তিনি জানান, হেডফোন পরিবর্তন করা হবে।

চিফ হুইপ আরো জানান, সংসদ সদস্যদের আবাসন ও চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। মোটামুটি সব সংসদ সদস্য আবাসন সুবিধা পাবেন। স্পিকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, চিপ হুইপ, হুইপ—তাদের জন্য আলাদা বাসভবনের ব্যবস্থা আছে। বাকি সংসদ সদস্যদের সবার আবাসনের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।

তিনি আরো জানান, সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত ফ্ল্যাটগুলোয় প্রয়োজনীয় যেসব জিনিস কিনতে হবে, সেগুলো কেনা সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে সংসদ সদস্যদের বাসা বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। আগামী ৩০ মার্চ আবার বৈঠক করবে কমিটি।

কমিটির সভাপতি চিফ হুইপ নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. সাইফুল আলম এবং মো. আবুল হাসনাত।

ট্যাগঃ

সংসদে শব্দযন্ত্রের গোলযোগ, সাবোটাজ কি না, তদন্তে কমিটি

সময়ঃ ১২:০৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে শব্দযন্ত্রে গোলযোগের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই ঘটনা সাবোটাজ (অন্তর্ঘাতমূলক) ছিল কি না, তা তদন্ত করে ৩ এপ্রিলের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি শব্দযন্ত্রের সমস্যা সমাধানে কী করা যায়, সে বিষয়েও সুপারিশ দেবে কমিটি।

শনিবার (২৮ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ‘সংসদ কমিটির’ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে সংসদ কমিটির সভাপতি চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

১২ মার্চ থেকে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। প্রথম দিনই শব্দযন্ত্রের বিভ্রাটের কারণে অধিবেশন কিছু সময় বন্ধ রাখতে হয়। পরদিনের বৈঠকেও হেডফোন ও সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধীদলীয় একজন সদস্য।

শনিবার সংসদ কমিটির বৈঠক শেষে চিফ হুইপ সাংবাদিকদের বলেন, “ধারণা করা হচ্ছে এখানে একটা সাবোটাজ হয়েছে। ওই ঘটনা তদন্ত করার জন্য সার্জেন্ট এট আর্মসের (সংসদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখভাল করার দায়িত্বে থাকা সংস্থা) নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া আসলেই সাউন্ড সিস্টেমের যে সমস্যা আছে, তা দেখার জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে বিশেষজ্ঞকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।”

চিফ হুইপ জানান, তদন্ত কমিটি প্রধানত দুটো বিষয় দেখবে। প্রথমত, এখানে কোনো সাবোটাজ হয়েছে কি না। দ্বিতীয়ত, সাউন্ড সিস্টেমে সমস্যা কী, তার সমাধান কীভাবে করা যায়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, “হেডফোন নিয়ে সবার অভিযোগ আছে। এত বড় ঢাউস একটা হেডফোন মাথায় দিয়ে মাথা, কান গরম হয়ে যায়।”

তিনি জানান, হেডফোন পরিবর্তন করা হবে।

চিফ হুইপ আরো জানান, সংসদ সদস্যদের আবাসন ও চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। মোটামুটি সব সংসদ সদস্য আবাসন সুবিধা পাবেন। স্পিকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, চিপ হুইপ, হুইপ—তাদের জন্য আলাদা বাসভবনের ব্যবস্থা আছে। বাকি সংসদ সদস্যদের সবার আবাসনের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।

তিনি আরো জানান, সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত ফ্ল্যাটগুলোয় প্রয়োজনীয় যেসব জিনিস কিনতে হবে, সেগুলো কেনা সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে সংসদ সদস্যদের বাসা বরাদ্দ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। আগামী ৩০ মার্চ আবার বৈঠক করবে কমিটি।

কমিটির সভাপতি চিফ হুইপ নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. সাইফুল আলম এবং মো. আবুল হাসনাত।