ঈদুল আজহা আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ মে)। সোমবার (২৫ মে) থেকে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু হয়েছে। কর্মজীবীরা ছুটে পেয়ে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামের উদ্দেশে ছুটছে। এতে গাজীপুরের দুই মহাসড়কে ঘরমুখো যাত্রীদের ঢল নেমেছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ২০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। আর সুযোগ বুঝে পরিবহনে বেশি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (২৫ মে) সকাল হতে মহাসড়কে যাত্রীর চাপ বাড়তে শুরু করে৷ এরমধ্যে বৃষ্টি শুরু হলে যাত্রীরা কয়েক ঘণ্টা ভোগান্তিতে পড়ে। দুপুরে কারখানা ছুটি হলে বিকেলে যাত্রীর চাপ বেড়ে যায়৷
যানবাহনের সঙ্কট না থাকলেও পরিবহনগুলো অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। রপ্তানি হতে চন্দ্রার ভাড়া ২০-৩০ টাকা, নেওয়া হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। টাঙ্গাইলের ভাড়া ৫০০ টাকা ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্নস্থানের ভাড়া ১ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে কড্ডা হতে চন্দ্রা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার ও চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়কের কবিরপুর পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
দুপুরের পর থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রীর চাপ বাড়ে। গাজীপুর ছাড়াও সাভার, আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ থেকে যাত্রীরা গাজীপুর হয়ে বাড়ি ফিরছে৷ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী, বোর্ড বাজার, ভোগরা, চৌরাস্তা, রাজেন্দ্রপুর ও মাওনা এলাকায় যাত্রীর চাপ সবচেয়ে বেশি৷
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ী, সফিপুর, পল্লিবিদুৎ, চন্দ্রা, খাড়াজোড়া, বাইমাইল এলাকায় যাত্রীর চাপ বেশি।
রংপুরগামী যাত্রী মেহেদী হাসান বলেন, ‘‘আমি রপ্তানিতে চাকরি করি। রাস্তাঘাটে খুব খারাপ অবস্থা। যানজট। রপ্তানি হতে চান্দুরার ভাড়া ২০ টাকা কিন্তু আজ ১৫০ টাকা নিল। চন্দ্রায় এসে দেখি গাড়ি নড়াচড়া বন্ধ।’’
তোফায়েল নামে এক যাত্রী বলেন, ‘‘৩০ মিনিট ধরে সফিপুর ফ্লাইওভারে বসে আছি। আগেই বের হলাম কিন্তু সেই যানজটে পড়লাম। এখন দেখা যাক বাড়ি যেতে কত সময় লাগে।’’
নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে হাইওয়ে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। আজ (সোমবার) অনেক কারখানা ছুটি হয়েছে। দুপুরের পর থেকে যাত্রীর চাপ বেড়েছে। এই চাপ ঈদের আগের দিন পর্যন্ত থাকবে। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে চন্দ্রা ও আশপাশের এলাকায় কয়েক কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান তিনি।
Voice24 Admin 




