০৪:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুদূতের নাম গ্রহাণু – ৫

  • Voice24 Admin
  • সময়ঃ ১২:০৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ৫৪৯ Time View

কয়েক ধরনের নিয়ার আর্থ অবজেক্ট। শুরুতে আছে অ্যামোরস। এটি এমন একধরনের নিয়ার আর্থ অবজেক্ট, যাদের পথচলা পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে, কিন্তু মঙ্গলের কক্ষপথের ভেতরে। ১৯৩২ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইউজিন জোসেফ ডেলপোর্টের আবিষ্কার করা গ্রহাণু ‘১২২১ অ্যামোর’ অনুসারে এই শ্রেণির নামকরণ করা হয়েছে। দ্বিতীয়তে আছে অ্যাপোলোস। পৃথিবীর কক্ষপথ অতিক্রমকারী এমন একধরনের নিয়ার আর্থ অবজেক্ট, যাদের সেমি-মেজর অ্যাক্সিস পৃথিবীর চেয়ে বড়। ১৯৩২ সালে জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল রাইনমুথের আবিষ্কৃত গ্রহাণু ‘১৮৬২ অ্যাপোলো’ অনুসারে এই শ্রেণির বস্তুদের নামকরণ করা হয়েছে। তৃতীয়তে আছে এটেনস। এটি পৃথিবীর কক্ষপথ অতিক্রমকারী এমন একধরনের নিয়ার আর্থ অবজেক্ট, যাদের সেমি-মেজর অ্যাক্সিস পৃথিবীর চেয়ে ছোট। এই শ্রেণির প্রথম সদস্য ‘২০৬২ এটেন’ আবিষ্কার করেছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এলিনর হেলিন। সবশেষে আছে আতিরাস। এটি এমন একধরনের নিয়ার আর্থ অবজেক্ট, যাদের পথচলা সম্পূর্ণভাবে পৃথিবীর কক্ষপথের ভেতরে। এই শ্রেণির প্রথম সদস্য ‘১৬৩৬৯৩ আতিরা’ খুঁজে পাওয়া যায় ২০০৩ সালে, লিনিয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে

ট্যাগঃ

মৃত্যুদূতের নাম গ্রহাণু – ৫

সময়ঃ ১২:০৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

কয়েক ধরনের নিয়ার আর্থ অবজেক্ট। শুরুতে আছে অ্যামোরস। এটি এমন একধরনের নিয়ার আর্থ অবজেক্ট, যাদের পথচলা পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে, কিন্তু মঙ্গলের কক্ষপথের ভেতরে। ১৯৩২ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইউজিন জোসেফ ডেলপোর্টের আবিষ্কার করা গ্রহাণু ‘১২২১ অ্যামোর’ অনুসারে এই শ্রেণির নামকরণ করা হয়েছে। দ্বিতীয়তে আছে অ্যাপোলোস। পৃথিবীর কক্ষপথ অতিক্রমকারী এমন একধরনের নিয়ার আর্থ অবজেক্ট, যাদের সেমি-মেজর অ্যাক্সিস পৃথিবীর চেয়ে বড়। ১৯৩২ সালে জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল রাইনমুথের আবিষ্কৃত গ্রহাণু ‘১৮৬২ অ্যাপোলো’ অনুসারে এই শ্রেণির বস্তুদের নামকরণ করা হয়েছে। তৃতীয়তে আছে এটেনস। এটি পৃথিবীর কক্ষপথ অতিক্রমকারী এমন একধরনের নিয়ার আর্থ অবজেক্ট, যাদের সেমি-মেজর অ্যাক্সিস পৃথিবীর চেয়ে ছোট। এই শ্রেণির প্রথম সদস্য ‘২০৬২ এটেন’ আবিষ্কার করেছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এলিনর হেলিন। সবশেষে আছে আতিরাস। এটি এমন একধরনের নিয়ার আর্থ অবজেক্ট, যাদের পথচলা সম্পূর্ণভাবে পৃথিবীর কক্ষপথের ভেতরে। এই শ্রেণির প্রথম সদস্য ‘১৬৩৬৯৩ আতিরা’ খুঁজে পাওয়া যায় ২০০৩ সালে, লিনিয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে