ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, তাদের দাবির মধ্যে ছিল সব ফ্রন্টে তাৎক্ষণিক যুদ্ধ বন্ধ করা। মূলত লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলের চলমান হামলার দিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে এখানে। এর পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ইরানের ওপর আর কোনো হামলা না চালানোর নিশ্চয়তাও দাবি করা হয়।
এ ছাড়া, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়। সেই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্বের বিষয়েও জোর দেওয়া হয়।
ইরানের আরেকটি আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস রোববার জানিয়েছে, তেহরানের প্রস্তাবের জবাবে ওয়াশিংটন পাঁচটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে।
জানা গেছে, এই শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—ইরানকে শুধু একটি পারমাণবিক স্থাপনা চালু রাখতে হবে। এ ছাড়া তাদের কাছে থাকা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়ে দিতে হবে।
ট্রাম্প শুক্রবার ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান যদি ২০ বছরের জন্য তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত রাখে, তবে তিনি তা মেনে নেবেন। পারমাণবিক ইস্যুটি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের একটি বড় বিরোধের জায়গা। আগে যুক্তরাষ্ট্র চাইত এটি পুরোপুরি বন্ধ হোক, তবে ট্রাম্পের কথায় মনে হচ্ছে তারা সেই অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসেছে।
Voice24 Admin 





